সোমবার বিধানসভায় বিরোধী দলনেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে বৈঠক করেন তৃণমূল বিধায়ক ফিরহাদ হাকিম। বৈঠকের পর ঋতব্রত ঘোষণা করেন, তাঁদের বিদ্রোহী বিধায়কদের সংখ্যা এখন ৬৫। কলকাতার প্রাক্তন মেয়র ফিরহাদের এই উপস্থিতি ঘিরে নতুন করে রাজনৈতিক জল্পনা শুরু হয়েছে।
এদিন সকালে ফিরহাদ কলকাতা পুরসভার বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন, যেখানে শুভেন্দু অধিকারীও ছিলেন। এরপর তিনি বিধানসভার উদ্দেশে রওনা দেন। তাঁর গাড়ির পেছনেই আসেন অপর তৃণমূল 'বিদ্রোহী' বিধায়ক সন্দীপন সাহা। দুজনে একসঙ্গে বিধানসভায় প্রবেশ করেন।
বিধানসভায় বেলেঘাটার তৃণমূল বিধায়ক কুণাল ঘোষের সঙ্গে ফিরহাদের সংক্ষিপ্ত কথা হয়। তারপর সন্দীপনকে সঙ্গে নিয়ে তাঁরা বিরোধী দলনেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের কক্ষে প্রবেশ করেন। সেখানে ঋতব্রত, সন্দীপনসহ আরও কয়েকজন 'বিদ্রোহী' বিধায়ক উপস্থিত ছিলেন।
বৈঠক শেষে ঋতব্রত বলেন: "আজ আর এক বিধায়ক সই করলেন। আজ সংখ্যা ৬৫ হল। স্পিকারকে চিঠি দিয়েছেন।" তিনি যোগ করেন, "আজ ফিরহাদ হাকিমও এসেছিলেন। তিনি আজ আমাদের বৈঠকে ছিলেন। উনি আমার অভিভাবক।" তবে নতুন যোগ দেওয়া বিধায়ক ফিরহাদ কিনা, তা ঋতব্রত স্পষ্ট করেননি।উল্লেখ্য, ঋতব্রত ও তাঁর সঙ্গীরা বিধানসভায় বিরোধী দলের 'আসল মালিকানা' লাভ করেছেন। প্রাথমিকভাবে ৫৮ জন বিধায়ক থাকলেও, সম্প্রতি তা বেড়ে ৬৪ এবং নতুন একজন যুক্ত হয়ে এখন ৬৫-তে দাঁড়িয়েছে।
এদিকে লুকসভার ২০ জন তৃণমূল 'বিদ্রোহী' সাংসদের এনসিপিআইয়ের সঙ্গে মিশে যাওয়ার খবর প্রসঙ্গে ঋতব্রত জানান, "আমরা এনসিপিআই সম্পর্কে শুনেছি। এনসিপিআই নিয়ে আমাদের কারও কোনো ধারণা নেই।" তিনি পরিষ্কার করে বলেন যে, তাঁদের (বিধায়কদের) শিবির কোনো রাজনৈতিক দলের সঙ্গে যোগ দেয়নি।